কীভাবে ব্যবহার করবেন
- মুদ্রা বেছে নিন, তারপর জমার পরিমাণ আর বার্ষিক সুদের হার লিখুন।
- সুদ কত ঘন ঘন যোগ হয় তা বেছে নিন: বেশিরভাগ ভারতীয় FD-তে ত্রৈমাসিক, আর সরল সুদের জন্য "কোনোটি নয়"।
- মেয়াদ বছর, মাস ও দিনে লিখুন, যেমন 1 বছর 45 দিন, বা সরাসরি 444 দিন।
- ম্যাচিওরিটির টাকা, মোট সুদ আর কার্যকর বার্ষিক রিটার্ন দেখুন; টেবিলে প্রতি বছর শেষের ব্যালান্স দেখা যায়।
FD-র সূত্র
Maturity = P × (1 + r/n)^(n × t)
এখানে P হল জমার টাকা, r বার্ষিক সুদের হার, n বছরে কতবার সুদ যোগ হয় (ত্রৈমাসিক হলে 4) আর t বছরে মেয়াদ।
মেয়াদ যদি কোনো কম্পাউন্ডিংয়ের তারিখে শেষ না হয়, তবে বাকি দিনগুলোর জন্য ব্যাংক সরল সুদ দেয়: × (1 + r × বাকি দিন ÷ 365)। এই ক্যালকুলেটরও সেভাবেই হিসাব করে।
একটি উদাহরণ
₹1,00,000 টাকার FD, বার্ষিক 7% সুদ, 12 মাস, ত্রৈমাসিক কম্পাউন্ডিং: মেয়াদ শেষে হয় ₹1,07,185.90, অর্থাৎ সুদ ₹7,185.90। এটা 7%-এর চেয়ে একটু বেশি, কারণ প্রতি তিন মাসে সুদ আসলের সঙ্গে যোগ হয়ে যায়।
একই FD 1 বছর 45 দিন রাখলে হয় ₹1,08,110.93, আর 5 বছর রাখলে ₹1,41,477.82।
সুদ প্রতি মাসে বা তিন মাসে তুলে নিলে
নন-কিউমুলেটিভ FD-তে সুদ মেয়াদ শেষে একসঙ্গে না এসে প্রতি মাসে বা তিন মাসে আপনার অ্যাকাউন্টে আসে, তাই তার ওপর আর সুদ জমে না। ₹1,00,000 টাকায় 7% হারে প্রতি তিন মাসে পাবেন ₹1,750.00। মাসিক পেমেন্টে ব্যাংক প্রায়ই একটু কম দেয়। ক্যালকুলেটর ফলাফলের নিচে দুটো অঙ্কই দেখায়।
অন্য দেশে FD
আমেরিকার মতো কিছু দেশে ফিক্সড ডিপোজিটকে সার্টিফিকেট অফ ডিপোজিট (CD) বলে, আর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে টার্ম ডিপোজিট। মুদ্রা বদলান, হার আর মেয়াদ লিখুন, আর অ্যাকাউন্টের শর্তে যে কম্পাউন্ডিং আছে সেটা বেছে নিন। প্রতি মাসে টাকা জমাতে চাইলে RD ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।