ইএমআই ক্যালকুলেটর EMI Calculator

যেকোনো হোম, কার, এডুকেশন বা পার্সোনাল লোনের মাসিক কিস্তি (EMI) বের করুন, দেখুন তার কতটা সুদে যায়, আর প্রতি মাসের তারিখসহ পুরো পরিশোধের তালিকা পান।

$
%
মাসিক EMI
$1,735.65
মোট সুদ
$216,555
মোট পরিশোধ
$416,555
শেষ EMI
20 বছর পরে

আপনার EMI-এর টাকা কোথায় যায়: $416,555

  • আসল: $200,000 (48%)
  • সুদ: $216,555 (52%)
বছরভিত্তিক পরিশোধের তালিকা
লোনের বছর অনুযায়ী। প্রতিটি মাস দেখতে কোনো বছরে ট্যাপ করুন।
বছরআসলসুদবাকি ঋণ
$3,980$16,847$196,020
$4,332$16,495$191,687
$4,715$16,113$186,972
$5,132$15,696$181,840
$5,586$15,242$176,254
$6,079$14,748$170,175
$6,617$14,211$163,558
$7,202$13,626$156,357
$7,838$12,990$148,519
$8,531$12,297$139,988
$9,285$11,543$130,703
$10,106$10,722$120,597
$10,999$9,829$109,598
$11,971$8,857$97,627
$13,029$7,798$84,597
$14,181$6,647$70,416
$15,434$5,393$54,982
$16,799$4,029$38,183
$18,284$2,544$19,900
$19,900$928$0

কমতে থাকা বাকি ঋণের ওপর (reducing balance) হিসাব করা EMI, যে পদ্ধতি ব্যাংক বেশিরভাগ হোম, কার ও পার্সোনাল লোনে ব্যবহার করে। ফি, বিমা বা প্রথম মাসে বেশি দিন থাকলে আপনার ব্যাংকের হিসাব সামান্য আলাদা হতে পারে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. মুদ্রা বেছে নিন এবং যত টাকা লোন নিতে চান, সেই পরিমাণ লিখুন।
  2. ব্যাংক বা ঋণদাতা যে বার্ষিক সুদের হার জানিয়েছে, সেটি লিখুন।
  3. লোনের মেয়াদ বছর বা মাসে লিখুন, আর প্রথম EMI কোন মাসে দেবেন, তা বেছে নিন।
  4. মাসিক EMI, মোট সুদ ও মোট পরিশোধ দেখুন। পরিশোধের তালিকা খুলে কোনো বছরে ট্যাপ করলে প্রতি মাসের EMI-তে আসল আর সুদের ভাগ আলাদা করে দেখতে পাবেন।

EMI-এর সূত্র

EMI = P × r × (1 + r)^n ÷ ((1 + r)^n − 1)

এখানে P হলো লোনের পরিমাণ, r হলো মাসিক সুদের হার (বার্ষিক হার ÷ 12 ÷ 100) আর n হলো মোট কিস্তির সংখ্যা। বেশিরভাগ ব্যাংক হোম, কার ও পার্সোনাল লোনে এই রিডিউসিং ব্যালান্স পদ্ধতিতেই EMI ঠিক করে, অর্থাৎ সুদ লাগে শুধু বাকি থাকা ঋণের ওপর।

উদাহরণ: ₹20 লাখের হোম লোন, বার্ষিক সুদ 8.5%, মেয়াদ 20 বছর (240 মাস)। এখানে r = 8.5 ÷ 12 ÷ 100 ≈ 0.00708। এতে EMI দাঁড়ায় প্রায় ₹17,356, পুরো মেয়াদে মোট সুদ প্রায় ₹21,65,552, অর্থাৎ মোট পরিশোধ ₹41,65,552।

মেয়াদ বদলালে কী হয়

মেয়াদ লম্বা করলে EMI কমে, কিন্তু মোট সুদ অনেকটা বেড়ে যায়। একই ₹20 লাখ, 8.5% সুদের লোনে:

  • 15 বছর: EMI ₹19,695, মোট সুদ ₹15,45,062
  • 20 বছর: EMI ₹17,356, মোট সুদ ₹21,65,552
  • 30 বছর: EMI ₹15,378, মোট সুদ ₹35,36,177

কার লোনের উদাহরণ

9.5% সুদে 5 বছরের জন্য ₹8 লাখের কার লোনে EMI হয় প্রায় ₹16,801, আর মোট সুদ প্রায় ₹2,08,089। কার লোনে প্রসেসিং ফি ও বিমার খরচ আলাদা করে যোগ হতে পারে, তাই ব্যাংকের কাছে মোট খরচ জেনে নিন।

মোট সুদ কমানোর উপায়

  • শুরুর বছরগুলোতে আংশিক প্রি-পেমেন্ট করুন: তখন সুদ সবচেয়ে বেশি থাকে, তাই বাড়তি প্রতিটি পরিশোধ সরাসরি আসল কমায়।
  • যত কম মেয়াদের EMI স্বচ্ছন্দে দিতে পারবেন, সেটাই বেছে নিন: EMI একটু বেশি হলেও মোট সুদে বড় সাশ্রয় হতে পারে।
  • শুধু সুদের হার নয়, ফি-ও তুলনা করুন: প্রসেসিং ফি আর লোনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া বিমা লোনের প্রকৃত খরচ বাড়ায়।
  • ফ্লোটিং রেট লোনে বেঞ্চমার্ক হার বদলালে EMI বা মেয়াদ বদলাতে পারে; ব্যাংকের নতুন শিডিউল এখানকার হিসাবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

EMI কীভাবে হিসাব করা হয়?

EMI = P × r × (1 + r)^n ÷ ((1 + r)^n − 1), যেখানে P লোনের পরিমাণ, r মাসিক সুদের হার (বার্ষিক হার ÷ 12 ÷ 100) আর n মোট মাসের সংখ্যা। ভারতসহ অন্যান্য দেশেও বেশিরভাগ হোম, কার ও পার্সোনাল লোন এই পদ্ধতিতেই চলে।

শুরুর দিকের EMI-এর বেশিরভাগটাই সুদে যায় কেন?

সুদ লাগে বাকি থাকা ঋণের ওপর। শুরুতে বাকি ঋণ সবচেয়ে বেশি, তাই সুদের ভাগও সবচেয়ে বড়। যত পরিশোধ করবেন, সুদ তত কমবে আর EMI-এর বেশি অংশ আসল শোধ করবে। পরিশোধের তালিকায় কোনো বছরে ট্যাপ করে মাস ধরে ধরে দেখুন।

মেয়াদ লম্বা করলে কি টাকা বাঁচে?

না। মেয়াদ লম্বা হলে EMI কমে, কিন্তু মোট সুদ বাড়ে। ₹20 লাখ, 8.5% সুদে 15 বছরে মোট সুদ ₹15,45,062, আর 30 বছরে ₹35,36,177।

ব্যাংকের EMI কি ঠিক এটাই হবে?

খুব কাছাকাছি হওয়ার কথা। প্রসেসিং ফি, লোনে জুড়ে দেওয়া বিমা, প্রথম মাসের বাড়তি সুদ বা ব্যাংকের রাউন্ডিংয়ের কারণে সামান্য পার্থক্য হতে পারে। ফ্লোটিং রেট লোনে বেঞ্চমার্ক হার বদলালে EMI-ও বদলায়।

আমার তথ্য কি কোথাও পাঠানো হয়?

না। এই ক্যালকুলেটর পুরোপুরি আপনার ব্রাউজারে চলে; আপনার লোনের পরিমাণ বা কোনো সংখ্যা আমাদের সার্ভারে যায় না।

আরও টুল